Main Centers
International Centers
India
USA
FILTERS:
SORT BY:
শান্তি এবং আনন্দ এমন জিনিস নয় যা আপনি জীবনের শেষে গিয়ে অর্জন করেন। বরং এগুলোই হলো জীবনের ভিত্তি।
নিজের ভেতরে আপনি কেমন থাকবেন, তা অবশ্যই আপনাকেই নির্ধারণ করতে হবে। আর আধ্যাত্মিক হওয়ার অর্থ এটাই।
আপনার ভেতরের সুন্দর পরিবেশ বাইরের পরিস্থিতিকেও চমৎকার করে তোলে। কিন্তু আপনার ভেতরের পরিবেশ যদি ভালো না থাকে, তবে আপনি বসন্তেও কষ্ট পাবেন।
আপনাকে গোটা দুনিয়া সামলাতে হবে না। আপনি যদি কেবল নিজেকে সামলাতে শেখেন, তবে সবকিছুই সামলে ফেললেন।
স্বয়ং ঈশ্বরও আপনার অন্তরের কল্যাণ নির্ধারণ করতে পারেন না। নিজের ভেতর থেকে আপনি যদি নিজেকে কষ্ট দিতে না চান, তবে কেউই আপনার ওপর কষ্ট চাপিয়ে দিতে পারে না।
ভালোবাসা মানে নিজেকে বিলীন করে দেওয়া। এটা ঘটে আত্মসমর্পণের মাধ্যমে, কোনো হিসেব-নিকেশ বা সুযোগ-সুবিধার মাধ্যমে নয়।
জীবন সকলকে এবং সবকিছুকে অন্তর্ভুক্ত করে। কেবল আপনার মনই বিভেদ তৈরি করে।
আসল রহস্যটা হল কীভাবে আরও প্রাণবন্ত হয়ে বাঁচা যায়। মৃত্যু নিখুঁতভাবেই ঘটে – এটা অনুশীলন করতে হয় না। জীবনকে পরিপূর্ণভাবে বাঁচতে প্রচুর অনুশীলনের প্রয়োজন।
আপনি যখন নিজের স্মৃতি বা কল্পনার কারণে কষ্ট পান, তার মানে দাঁড়ায় আপনি এমন কিছুর জন্য কষ্ট পাচ্ছেন, যার বাস্তবে কোনো অস্তিত্বই নেই।
গুটিকয়েক খারাপ মানুষ এই গ্রহকে ধ্বংস করছে, তা নয় – বরং সুখের সন্ধানে থাকা আমরা প্রত্যেকেই এটিকে ধ্বংস করছি।
আমরা শুধু যে এই গ্রহে বসবাস করি তা নয় – বরং আমরা নিজেরাই এই গ্রহ। আজ যদি আপনি এটা না বুঝতে পারেন, তবে মৃত্যুর পর যখন কবরস্থ হবেন, তখন আপনি ঠিকই বুঝবেন।
সমস্ত সমস্যার উৎস আপনার ভেতরেই রয়েছে। আর তার সমাধানও রয়েছে ঠিক সেখানেই।